রিনার বিয়ে হয়েছে দুই বছর হলো। কিন্তু প্রায় সময়ই তাকে স্বামী ও শাশুড়ির নির্যাতনের শিকার হতে হয়। কারণ, তার বাবা শ্বশুর বাড়ির চাহিদামতো টাকা-পয়সা ও আসবাবপত্র দিতে পারেননি। রিনার মতো মেয়েদের নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকার ১৯৮০ সালে একটি আইন প্রণয়ন করে।
উদ্দীপকে ১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইনকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনে বহুবিবাহের ক্ষেত্রে আইনগত প্রতিবন্ধকতা রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, বিবাহ রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা সৃষ্টির মাধ্যমে স্বামী পরিত্যক্তদের দেনমোহর প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধান করা হয়েছে। ফলে পুরুষের জন্য বাধ্যতামূলক দেনমোহর একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এরই প্রভাব হিসেবে যৌতুকের প্রচলন শুরু হয়।
ধীরে ধীরে সামাজিকভাবে যৌতুকের নেতিবাচক প্রভাব বাড়তে থাকে। সেইসাথে বাড়তে থাকে নারী নির্যাতন ও নারী হত্যার মতো অপরাধ। এরই প্রেক্ষিতে যৌতুক নিরোধ আইন প্রণীত হয়। যৌতুক একটি বড় ধরনের সামাজিক কু-প্রথা যা নারী উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, পাশাপাশি নারী ও তার পরিবারকে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করে। এ আইনের মাধ্যমে সমাজ থেকে যৌতুক নিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?